দেশে ব্যবসারত জীবন বীমা খাতের যেসব কোম্পানির প্রধান কার্যালয় বিদেশে রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান ওই কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা ব্যয় বাবদ সর্বোচ্চ কী পরিমাণ অর্থ পাঠাতে পরবে তা নির্ধারণে একটি বিধিমালা সংশোধনের প্রস্তাব এনেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।
‘লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণী বিধিমালা, ২০২০ ’ শীর্ষক ওই বিধিমালার সংশোধন প্রস্তাবে আগামী ৭ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজন, বিশেষজ্ঞ এবং জনসাধারণকে মতামত পাঠাতে বলা হয়েছে।
সোমবার (১৮ জুন) অংশীজনদের কাছে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছে আইডিআরএ। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির পরিচালক (আইন) মোহা. আবদুল মজিদ স্বাক্ষরিত এই চিঠি বীমা কোম্পানিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন( বিআইএ), মুখ্য নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরাম, ইন্স্যুরেন্স একাডেমি, দেশে ব্যবসা পরিচালনাকারী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বীমা কোম্পানি মেটলাইফ বাংলাদেশ এবং লাইফ ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন অব ইন্ডিয়া -এলআইসি বাংলাদেশ লিমিটেডকে পাঠানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বীমা আইন, ২০১০ এর ধারা ৬২ এ প্রদত্ত ‘ব্যবস্থাপনা ব্যয়’ এর ব্যাখ্যা অংশের (গ) এ বর্ণিত বীমাকারীর মূল ব্যবসাস্থল বাংলাদেশের বাহিরে থাকলে বীমাকারী প্রধান কার্যালয়ের ব্যয়ের যথাযথ অংশ নির্ধারণ করার উল্লেখ আছে। বিধিমালায় এ সংক্রান্ত বিধান না থাকায় বিষয়টি নিরসনের লক্ষ্যে একটি সংশোধনী প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে।
সংশোধিত খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রধান কার্যালয়ের ব্যয়ের সীমা।- বীমাকারীর মূল ব্যবসাস্থল বাংলাদেশের বাহিরে থাকিলে সেক্ষেত্রে প্রধান কার্যালয়ের ব্যয় বীমাকারীর লাইফ ইন্স্যুরেন্স ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট বৎসরের নীট প্রিমিয়াম আয়ের সর্বোচ্চ তিন শতাংশ পর্যন্ত করা যাইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধান কার্যালয়ের এ ব্যয়ের সীমা বিধি ৩ এ নির্ধারিত ব্যয় সীমার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য হইবে এবং
তাহা কোন অবস্থাতেই বিধি ৩ এ বর্ণিত সীমার অতিরিক্ত হিসেবে গণ্য হইবে না।
আরও শর্ত থাকে যে, এ বিধিতে নির্ধারিত প্রধান কার্যালয়ের ব্যয় বিদেশে প্রেরণের পূর্বে ব্যয়ের যৌক্তিকতাসহ পূর্ণাঙ্গ
বিবরণী দাখিলপূর্বক কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করিতে হইবে।









