Bangkok
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
Breaking
সেরা ব্যাংকাস্যুরেন্স কর্মীদের স্বীকৃতি দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড এবং মেটলাইফ বাংলাদেশ প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পাঁচ লাখ টাকার মৃত্যুদাবি পরিশোধ ৪০ জন বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করতে সিআরপি ও মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের প্রশিক্ষণ ও সহায়তা প্রদান  গার্ডিয়ান লাইফ এর সহায়তায় ঋণমুক্ত হলো দুই পরিবারের সদস্যরা মেটলাইফ বাংলাদেশের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে এনরুট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড স্বাস্থ্যসেবা ও বীমা সুবিধা বাড়াতে ভিএ টেক ওয়াবাগ ও প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফের চুক্তি দেশজুড়ে বিমা সুরক্ষার পরিসর বাড়াতে একসাথে কাজ করবে মেটলাইফ বাংলাদেশ ও গ্রামীনফোন ফারইস্টের ৮১৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে এক বছরে ৩২ কোম্পানির লাইফ ফান্ড বেড়েছে ৮৮৬ কোটি টাকা মুক্তবাজার অর্থনীতিতে নন-ট্যারিফ বীমার ভূমিকা

আইন লঙ্ঘন করে চলতি দায়িত্বে থাকা সিইওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ

  • প্রকাশের সময় : ৯ মাস ১ সপ্তাহ ২ দিন ৬ ঘন্টা ১৪ মি. আগে, ০৭:১৯:১১ পি.এম, বুধ, ৯ জুলা ২০২৫
  • 818

CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), quality = 95?

ক্যাপশন আইডিআরএ'র লোগো
নিজস্ব প্রতিবেদক:

আইন লঙ্ঘন করে চলতি দায়িত্বপালনকারী মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও সংম্লিষ্ট বীমা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা নিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। একইসঙ্গে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে কার্যালয়কে অবহিত করারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গত ০৪ জুন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পরিচালক-১২ র. হ. ম. আলাওল কবির এ চিঠি পাঠান।  আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ইতিমধ্যে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে (আইডিআরএ) এই চিঠির বিষয়ে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে, আইন লঙ্ঘন করায় দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি বীমা কোম্পানির চলতি দায়িত্বে থাকা সিইও এবং সংম্লিষ্ট বীমা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করলেও কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আইডিআরএ কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে। আইডিআরএ’র এ ধরনের কার্যক্রম বীমা কোম্পানিগুলোকে দুর্নীতিতে উৎসাহিত করছে- বলেও মন্তব্য করা হয় গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।  প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে সংযুক্ত গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ বীমা আইন, ২০১০ এর ৮০(৪) ধারা অনুয়ায়ী, বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)’র পদ একাধারে ৩ মাসের অধিক সময়ের জন্য শূন্য রাখার বিধান নেই। তবে, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) অপরিহার্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সময়সীমা আরো ৩ মাস বাড়াতে পারে। বীমা আইন, ২০১০ এর ৮০ (৫) ধারা মোতাবেক, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বীমা কোম্পানির সিইও পদ পূরণ করা না হলে কর্তৃপক্ষ প্রশাসক নিয়োগ করতে পারবে।  কিন্তু নিম্নোক্ত কোম্পানিগুলোর চলতি দায়িত্বে থাকা সিইও’রা মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পরেও বীমা আইন লঙ্ঘন করে নিয়ম বহির্ভূতভাবে এখনো চলতি দায়িত্ব পালন করছেন।’
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে ৫ টি বীমা কোম্পানি ও সিইওদের নাম উল্লেখ করা হয়। যারা আইনি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও অবৈধভাবে সিইও পদে বসে আছেন।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দুটি কোম্পানি ও এর সিইওদের নাম উল্লেখ করে বলা হয়, দীর্ঘ দিন ধরে আইডিআরএ’র অনুমোদিত সিইও নিয়োগ না করায় এসব কোম্পানিকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করে পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে যোগ্যতাসম্পন্ন সিইও নিয়োগ দিতে বলা হয়। কিন্তু  সময় অতিবাহিত হলেও কোম্পানিগুলো সে নির্দেশনা মানেনি। এর বিপরীতে আইডিআরএ এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
গোয়েন্দা সংস্থার পর্যবেক্ষণে বলা হয়,  আইন লঙ্ঘন করে চলতি দায়িত্ব পালনকারী সিইও এবং বীমা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে আইডিআরএ কঠোর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছে না মর্মে প্রতীয়মান। আইডিআরএ’র এই ধরনের কার্যক্রম বীমা কোম্পানিগুলোকে দুর্নীতিতে উৎসাহিত করছে।
বীমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান কোম্পানি থেকে তাদের নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের জন্য তাদের অনুগত ব্যক্তিদেরকে সিইও
পদে নিয়োগ প্রদান করে থাকে। এক্ষেত্রে অনুগত ব্যক্তি যোগ্য না হলেও তাকে জরিমানা দিয়ে বছরের পর বছর সিইও
পদে বহাল রাখা হয়। এখানে বীমা কোম্পানি যে টাকা জরিমানা প্রদান করে তা সম্পূর্ণ গ্রাহকদের টাকা। এর ফলে
গ্রাহক স্বার্থ ক্ষুন্ন হওয়ার পাশাপাশি বীমা খাতের শৃঙ্খলা নষ্ট হচ্ছে। কয়েকটি বীমা কোম্পানিতে জরিমানা দিয়ে বছরের পর বছর অযোগ্য ব্যক্তিকে সিইও পদে বহাল রাখা হচ্ছে। এর ফলে অন্যান্য বীমা কোম্পানিগুলোও তাদের অসৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে একই সুযোগ ব্যবহার করবে।
গোয়েন্দা সংস্থার এই প্রতিবেদনটি দেশের বীমা খাতের দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এই অনিয়ম অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যেতে পারে এবং বীমা খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হবে।

সেরা ব্যাংকাস্যুরেন্স কর্মীদের স্বীকৃতি দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড এবং মেটলাইফ বাংলাদেশ

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের সেরা ব্যাংকাস্যুরেন্স কর্মীদের সাফল্য উদযাপন করতে স্ট্যান্ডার্ড আরো পড়ুন.. ২ দিন ৬ ঘন্টা ১৪ মি. আগে, রবি, ১২ এপ্রি, ২০২৬