Dhaka
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
Breaking
ব্র্যাক ব্যাংকের ইস্যু করা দেশের প্রথম সোশ্যাল বন্ডে মেটলাইফের ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ জীবন বীমা কর্পোরেশনের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউল হক সোনালী লাইফের ২০২৬ সালের প্রথম মাসিক ব্যবসা উন্নয়ন সভা নন-লাইফ বীমায় শূন্য কমিশন বাস্তবায়নে মনিটরিং কমিটি গঠন মেটলাইফের ‘এজেন্সি অব দ্য ইয়ার ২০২৫’ পেল সুমন এজেন্সি নন-লাইফ বীমায় কমিশনের নামে আর্থিক সুবিধা নিষিদ্ধ, আইন ভাঙলে শাস্তি: আইডিআরএ তরুণদের নতুন ভরসা বীমা পেশা সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দ্বাদশ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত শক্তিশালী লাইফ ফান্ডে মজবুত ভিত্তি গার্ডিয়ান লাইফের বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি

আইরিন পারভীন বাঁধনের মৃত্যুবার্ষিকীতে ডায়মন্ড লাইফের দোয়া-মোনাজাত

  • প্রকাশের সময় : ১ বছর ৮ মাস ৩ সপ্তাহ ২ দিন ১১ ঘন্টা ৪০ মি. আগে, ০৭:৩৭:৩৯ পি.এম, বৃহস্পতি, ২৫ এপ্রি ২০২৪
  • 1049
ক্যাপশন মরহুম আইরিন পারভীন বাঁধন। ফাইল ছবি।
নিজস্ব প্রতিবেদক:

ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান ও ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসহাক আলী খান পান্নার সহধর্মিনী আইরিন পারভীন বাঁধনের নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড লাইফের প্রধান কার্যালয়ে এই দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পিপলু বিশ্বাস, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুজ্জামানসহ প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১১তম ব্যাচের কর্মকর্তা উপসচিব আইরিন পারভীন বাঁধন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস করেন।

স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আইরিন পারভীন বাঁধন রাজপথের অন্যতম মেধাবী ছাত্রনেত্রী হিসেবে সবার কাছে পরিচিত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে তিনি ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আইরিন পারভীন বাঁধন ছাত্রলীগের অন্যতম জনপ্রিয় নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর তিনি ১১ তম বিসিএস পরীক্ষায় প্রশাসন ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। আইরিন পারভীন বাঁধনের গ্রামের বাড়ি মাগুরা জেলার শ্রীপুরের দ্বারিয়াপুর গ্রামে।

তিনি সততা ও দক্ষতার সঙ্গে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে দেশে ও বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুর আগে সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে তিনি কর্মরত ছিলেন। পান্না-বাঁধন দম্পতির একমাত্র সন্তান খান ইফতেশাম আবতাহি আরিয়ান।