Singapore
সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
Breaking
ব্র্যাক ব্যাংকের ইস্যু করা দেশের প্রথম সোশ্যাল বন্ডে মেটলাইফের ৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ জীবন বীমা কর্পোরেশনের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়াউল হক সোনালী লাইফের ২০২৬ সালের প্রথম মাসিক ব্যবসা উন্নয়ন সভা নন-লাইফ বীমায় শূন্য কমিশন বাস্তবায়নে মনিটরিং কমিটি গঠন মেটলাইফের ‘এজেন্সি অব দ্য ইয়ার ২০২৫’ পেল সুমন এজেন্সি নন-লাইফ বীমায় কমিশনের নামে আর্থিক সুবিধা নিষিদ্ধ, আইন ভাঙলে শাস্তি: আইডিআরএ তরুণদের নতুন ভরসা বীমা পেশা সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দ্বাদশ বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত শক্তিশালী লাইফ ফান্ডে মজবুত ভিত্তি গার্ডিয়ান লাইফের বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি

সাফল্যের এক দশক পেরিয়ে একাদশের অদম্য অগ্রযাত্রায় যমুনা লাইফ

  • প্রকাশের সময় : ১ বছর ৭ মাস ২ সপ্তাহ ১ দিন ১৯ ঘন্টা ৪৯ মি. আগে, ০৮:০৮:৩২ পি.এম, শনি, ১ জুন ২০২৪
  • 1339
ক্যাপশন যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের লোগো । ফাইল ছবি।
নিজস্ব প্রতিবেদক:

সাফল্যের এক দশক পেরিয়ে একাদশে পদার্পণ করেছে দেশের জীবন বীমাখাতের চতুর্থ প্রজন্মের  কোম্পানি যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

বীমার মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মহান ব্রতকে সামনে রেখে দেশের ১০ জন শীর্ষস্থানীয় শিল্প উদ্যোক্তা ২০১৪ সালের ২০ মার্চ যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কার্যক্রম শুরু করেন। 

এক দশকের এই পথ চলায় স্বচ্ছতা, বিশ্বস্ততা আর উন্নত সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থার ঠিকানা হয়ে উঠেছে যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স। 

পথচলার শুরু থেকেই পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে  বীমা সুরক্ষা অব্যাহত রেখেছে। যথাসময়ে বীমা দাবি পরিশোধে সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ, তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক প্রয়োগ, গ্রাহকবান্ধব বীমাপণ্য, সেবার প্রতি দায়বদ্ধতা, জবাবদিহিতামূলক মনোভাব এক দশকে যমুনা লাইফকে  অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। আর এটি সম্ভব হয়েছে একদল আত্মপ্রত্যয়ী কর্মীবাহিনী, সুসংহত সাংগঠনিক কাঠামো, ব্যবসার গুণগতমান এবং উন্নত গ্রাহকসেবার লক্ষ্য রেখে ব্যবসায়িক কৌশল নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সার্বক্ষণিক প্রচেষ্টার কারণে।

যমুনা লাইফের এই এক দশকের অগ্রযাত্রার প্রায় অর্ধেক সময় ধরে  মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন চৌকষ বীমা ব্যক্তিত্ব কামরুল হাসান খন্দকার। 

২০২০ সালের ০২ মার্চ কোম্পানিটিতে  মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেই যমুনা লাইফের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে শুরু করেন তিনি। বৈশ্বিক মহামারি করোনার চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখেন তিনি।

তার যোগাদানের আগে ২০১৯ সালে কোম্পানিটির গ্রস প্রিমিয়াম আয় ছিল ৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা।

২০২০ ও ২০২১ সালে করোনা মহামারির কারণে লকডাউনে  বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স যথাক্রমে ১১.৩৩ কোটি ও ১৫.২০ কোটি টাকা গ্রস প্রিমিয়াম অর্জন করে। যাতে প্রবৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ১২.৪২ শতাংশ ও ২৫.৪৬ শতাংশ। 

২০২২ সালে যমুনা লাইফের মোট প্রিমিয়াম আয় ছিল ২৭.০০ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধির হার ৪৩.৭২ শতাংশ। 

২০২৩ সালে অর্জিত মোট প্রিমিয়াম ৩৩কোটি টাকা। ২০১৯ সালে  যমুনা লাইফের মোট পলিসি বিক্রি হয়েছিল ৩৬৮৩ টি। কামরুল হাসান খন্দকার যোগদানের পর ২০২০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮১৬ টি, ২০২১ সালে ৪৭৯৯ টি, ২০২২ সালে ৯৫০২ টি ও ২০২৩ সালে বিক্রিত পলিসি সংখ্যা ৮৩৬৩ টি।

২০২৩ সালের ব্যবসা শেষে কোম্পানির মোট বিনিয়োগ ১৫.৫৫ কোটি টাকা।

মোট সম্পদের পরিমান দাঁড়িয়েছে ২৫.২২ কোটি টাকায়।

মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান খন্দকারের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব,  দূরদর্শী পরিকল্পনা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠার একাদশ বর্ষেও অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে যমুনা লাইফ। এগিয়ে রয়েছে বীমা দাবি পরিশোধেও । ২০২১ সালে কোম্পানিটিতে উত্থাপিত স্বাস্থ্যবীমা দাবি ছিল ৫৩ টি। ২০২২ সালে ১২২৬ টি, ২০২৩ সালে  ১৯৫১ টি যার শতভাগ পরিশোধ হয়েছে।

 ২০২৪ সালে এপ্রিল মাস পর্যন্ত স্বাস্থ্যবীমা দাবি উত্থাপিত হয়েছে  ১১১৭ টি। যার ৯২৬ টিই ইতিমধ্যে  নিষ্পত্তি হয়েছে। অন্যগুলোও প্রক্রিয়াধীন।

সাফল্য অর্জনকারী কর্মকর্তাদের পুরস্কার তুলে দিচ্ছেন যমুনা লাইফের চেয়ারম্যান বদরুল আলম খান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান খন্দকার।

 

 

 ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যমুনা লাইফে নিষ্পত্তিযোগ্য মৃত্যুদাবি ছিল ১৭ টি, যার মধ্যে  ১১ নিষ্পত্তি করে  পরিশোধ করা হয় ১৬.০৪ লক্ষ টাকা।

সারভাইভাল বেনিফিট ছিল ৩০৫ টি, পরিশোধ করা হয় ৩০০ টি। টাকার পরিমান ১.৩৫ কোটি টাকা। সমর্পিত বীমাদাবি ছিল ৫১ টি, পরিশোধ করা করা হয় ৫১ টি, অর্থাৎ শতভাগ। টাকার পরিমান ৪৮.৫০ লক্ষ টাকা।

ম্যাচুরিটি বা মেয়াদোত্তর বীমাদাবি ছিল ৩৮ টি। পরিশোধ করা হয় ৩৭ টি। টাকার পরিমান ৫০.২৫ লক্ষ টাকা।

গ্রুপ বীমাদাবি ছিল ৪৯৪২ টি।  পরিশোধ করা হয় ৪৩৮৬ টি। টাকার পরিমান ৪.৫৬ কোটি টাকা।

২০২৩ সালে ডিসেম্বর  পর্যন্ত কোম্পানিতে মৃত্যু, সারভাইভাল বেনিফিট, সারেন্ডার, ম্যাচুরিটি, স্বাস্থ্য ও গ্রুপবীমা দাবির মোট সংখ্যা ছিল ৫৩৫৩ টি। পরিশোধ ও নিষ্পত্তি করা হয় ৪৭৮৫ টি। সর্বমোট পরিশোধিত বীমাদাবির টাকার পরিমান ৭:৫৬ কোটি টাকা।

সকল প্রকার উত্থাপিত বীমাদাবির বিপরীতে পরিশোধের হার ৮৯.৩৯ শতাংশ।