প্রায় তিন দশক আগে যাত্রা শুরু করা হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে বাণিজ্যিকভাবে এগিয়ে নিতে হাল না ছাড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গ্রাহকদের বীমা দাবির চেক হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর মতিঝিলে কোম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বীমা দাবি বাবদ ৬২ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয় বলে কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে।
হোমল্যান্ড লাইফের ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন প্রধান উন্নয়ন কর্মকর্তা ও উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহাদত হোসেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক লুৎফুন্নাহার আলোসহ সারাদেশ থেকে আগত প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন শাখা ও অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।
হোমল্যান্ড লাইফকে এগিয়ে নিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন জানিয়ে চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন বলেন, আমাদের কোম্পানির অনেক সমস্যা ছিল যেগুলো সমাধান করতে গিয়ে আমাকে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে আমরা থেমে যাইনি। কোম্পানির উন্নয়নে এবং গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় আমরা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, হোমল্যান্ড লাইফের এই দুর্দিন কাটিয়ে আমরা সুদিন ফেরাতে চাই। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি।
হোমল্যান্ড লাইফের বাণিজ্যিক উন্নয়নে একদল নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আশা করছি এই দলটি ঐক্যবদ্ধভাবে কোম্পানিটিকে এগিয়ে নেবে। জামাল উদ্দিন বলেন, আজকে আমাদের বন্যাদুর্গত এলাকার কিছু গ্রাহকের চেক হস্তান্তর করা হচ্ছে।
আশা করছি, আমাদের বাকী বীমা গ্রাহকরাও দ্রুত তাদের টাকা পাবেন। আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।
ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল মতিন বলেন, আমাদের ৪টি স্টেকহোল্ডারের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পলিসিহোল্ডার। তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের যথাযথ সেবা প্রদান আমাদের দায়িত্ব।












