- স্বাস্থ্য, শস্য, গবাদি পশু বীমা চালুর নির্দেশ
- বীমা পণ্য নিয়ে প্রচারণা বৃদ্ধির তাগিদ
- সব নন-লাইফ বীমা কোম্পানিকে গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী যুগোপযোগী পরিকল্প চালুর তাগিদ দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। একইসঙ্গে স্বাস্থ্য, শস্য ও গবাদি পশু বিষয়েও বীমা চালুর নির্দেশনা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন কোম্পানির পাইলট প্রকল্প থেকে লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে এসব পরিকল্প বাজারজাত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বীমা পণ্য নিয়ে প্রচারণা বৃদ্ধির জোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে কোম্পানিগুলোকে।
সম্প্রতি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স খাতে গ্রাহক আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে যুগোপযোগী নতুন পরিকল্প বিষয়ে আয়োজিত কর্মশালা শেষে আইডিআরএ পক্ষ থেকে এসব নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারীর সভাপতিত্বে সোমবার আইডিআরএ এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। । কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন) মইনুল ইসলাম, সদস্য (আইন) মোঃ দলিল উদ্দিন, সদস্য (লাইফ) কামরুল হাসান, সদস্য (নন-লাইফ) মোঃ নজরুল ইসলামসহ কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক, পরিচালক, উপ-পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হাসিনা শেখ,কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি নাফিসা আরেফীন (উপসচিব), স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের প্রতিনিধি ডা. মো: মোস্তাফিজুর রহমান (উপসচিব), বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ পাভেল, রূপালী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের উপদেষ্টা পি.কে রায় এফসিএ, নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিসমূহের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, ‘আদর্শ প্রাণি সেবা লি:’ এর সিইও ফিদা হক এবং অক্সফাম বাংলাদেশের প্রতিনিধি নাফিসা তাসনিম খান উপস্থিত ছিলেন।
আইডিআরএ চেয়ারম্যান কর্মশালার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে জানান, জিডিপিতে ইন্স্যুরেন্স সেক্টরের প্রিমিয়াম পেনিট্রেশন ০.৫০শতাংশ , যার মধ্যে লাইফ এ ০.৪০শতাংশ এবং নন-লাইফ এ ০.১০ শতাংশ।
যা খুবই কম। জিডিপিতে প্রিমিয়াম পেনিট্রেশন বৃদ্ধি করা জরুরি। নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সেক্টরে নতুন বীমা পণ্য উদ্ভাবন করা প্রয়োজন। আমাদের দেশে স্বাস্থ্য বীমা, কৃষি বীমা, মটর বীমা, গবাদি পশুর বীমাসহ বেশ কিছু বীমা পরিকল্পের চাহিদা রয়েছে।কর্মশালায় পাইলটভিত্তিতে পরিচালিত বীমা পরিকল্পের মধ্যে আবহাওয়া সূচকভিত্তিক শস্য বীমা, হাওড়ের জন্য বন্যা সূচক শস্য বীমা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বঙ্গবন্ধু সুরক্ষা বীমা ইত্যাদি বিষয়ে
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন হতে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তাদের উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। একইসাথে প্রস্তাবিত বিভিন্ন বীমা পরিকল্পের উল্লেখ করা হয়।
মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বিভিন্ন কোম্পানির সিইও, আর্দশ প্রাণি সেবা লিমিটেডের সিইও,স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের প্রতিনিধি তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত ব্যক্ত করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. হাসিনা শেখ বীমা বিষয়ে ডিগ্রিধারী মেধাবীদের বীমা শিল্পে সম্পৃক্ত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।












