২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্মের চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ লাখ। এ সময়ে কোম্পানিটি গ্রাহক, গ্রাহকের পরিবারকে বীমা দাবি হিসেবে ৫০ কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করেছে।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত মৃত্যু দাবি বাবদ ৫৫০ জন পলিসি গ্রাহকের পরিবারকে ১০ কোটিরও বেশি টাকা দিয়েছে কোম্পানিটি। স্বাস্থ্য বীমার ৩৫ হাজার দাবির বিপরীতে ৩০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সারভাইভাল বেনিফিট বাবদ দুই হাজার পলিসি গ্রাহককে ১০ কোটির বেশি টাকা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪০ হাজারের অধিক বীমা দাবির বিপরীতে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা প্রদান করেছে কোম্পানিটি।
বীমা কোম্পানিটি বলছে, বীমা খাতের নানা নেতিবাচক প্রচারণার মধ্যেও গ্রাহকের ‘আস্থা আর বিশ্বাস’ অর্জনের মাধ্যমেই তারা ব্যবসা বিস্তৃত করছে। গত সাড়ে ৯ বছরে চার্টার্ড লাইফের ওপর মানুষের আস্থা দৃঢ় হয়েছে।
চার্টার্ড লাইফের অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা। আর পরিশোধিত মূলধন ২২.৫০ কোটি টাকা।
গত ৯ বছরে কোম্পানিটির গ্রস প্রিমিয়াম দাঁড়িয়েছে ২১০ কোটি টাকা। এরমধ্যে দাবি পরিশোধে খরচ করেছে ৫০ কোটি টাকা। লাইফ ফান্ড ৫০ কোটি, অ্যাসেট ৫০ কোটি টাকা। বাকি ৬০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে ব্যবস্থাপনা ব্যয়ে।
চার্টার্ড লাইফ ২০২২ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে। তালিকাভুক্তির পর থেকেই গ্রাহকদের আস্থার জায়গায় চলে এসেছে। যার ফলে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের শেয়ারটি এখন ৬৬ টাকা ৮০ পয়সায় (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩) লেনদেন হয়েছে।
কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে ৬০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা/পরিচালকদের হাতে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে আছে ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩২ দশমিক ৮৩ শতাংশ শেয়ার।











